এর আগে, এই সাতটি পাম্পে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে অ্যাপের মাধ্যমে জ্বালানি নিতে আসা চালকদের অতিরিক্ত ভিড় এবং চাহিদা বিবেচনায় সেই বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে মোট ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সুবিধাভোগী পাম্পগুলোর তালিকায় রয়েছে আসাদ গেটের সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশন ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন, তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জের নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং মিরপুর দারুসসালামের খালেক সার্ভিস স্টেশন। এই সাতটি পয়েন্ট থেকেই এখন বাড়তি অকটেন সংগ্রহ করতে পারছেন চালকরা।
উল্লেখ্য, মোটরসাইকেলচালকদের জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে এই সাতটি স্টেশনে পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর গত ২১ এপ্রিল থেকে এসব পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ বাধ্যতামূলক করে নির্দেশ দেয় বিপিসি। অ্যাপ ব্যবহারের শুরুর দিকে কিছুটা ধীরগতি ও দীর্ঘ লাইন দেখা দিলেও অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের ফলে আজ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও দ্রুততর করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সাতটি পাম্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় এবং দেশের বড় শহরগুলোতেও এই অ্যাপভিত্তিক সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।







