প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার নিম্নবিত্ত ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার লক্ষে বেশকিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ সময় তিনি সকলকে সতর্ক করে বলেন,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাপী চলমান মন্দার উল্লেখ করে বলেছেন, এ নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশে বিরোধীদের আন্দোলন হতে পারে, কিন্তু বাড়াবাড়ি দেশের ক্ষতির পাশাপাশি মানুষের কষ্ট বাড়াবে যেটি তাদেরও বোঝা উচিত।
ক্ষমতায় গেলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বাড়ানোর বিশেষ আইনটি বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আইনকে ‘দায়মুক্তি’ উল্লেখ করে ফখরুল অভিযোগ তোলেন, ‘এই আইনের
বিএনপি পরিকল্পিতভাবে অপরাজনীতির মাধ্যমে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কর্মীরা মাঠে
সরকার হটাতে নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, লড়াই শুরু হয়েছে। এ লড়াই আমাদের প্রাণের লড়াই, বেঁচে থাকার লড়াই এবং দেশ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এই নিশিরাতের সরকার দেশকে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। যে দেশে অলিগার্কদের স্বার্থে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারিত কিংবা আইনপ্রণীত হয়, সেখানে এটিই অনিবার্য পরিণতি। ঘরে
প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, চলমান বিদ্যুৎ রেশনিংয়ে শিল্প ও কৃষিখাত অগ্রাধিকার পাবে । বৈশ্বিক সংকটকালে দেশের অর্থনীতি চাঙা রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উন্নত দেশগুলো যখন হিমশিম খায়, তখন আমরা সাশ্রয়ী হচ্ছি। এটার অর্থ এই নয়, আমরা লুটপাট করছি। লুটপাট তো বিএনপি করেছে। আমি দেখেছি- বিএনপি নেতারা হারিকেন নিয়ে
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিমের রক্ত বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে আন্দোলন বেগবান করতে হবে। সোমবার (১
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির মিছিলের হারিকেন থেকে পেট্রোল বোমা বের হয় কিনা, তা নিয়ে জনগণ শঙ্কিত। তিনি বলেন, ‘করোনার পর