এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী।
গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ৬.৭১ শতাংশ কমেছে এবং জিপিএ-৫ ২৯ হাজার ১৩ জন কম পেয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।
উত্তীর্ণদের মধ্যে ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন ছাত্র এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। অর্থাৎ, সকল শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ মোট ছাত্রদের চেয়ে ৬৬ হাজার ৩৭১ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে।
৯টি সাধারণ বোর্ডের ফলাফলের চিত্র:
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। পাসের হার ৫১.৬২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডেও ছাত্রদের চেয়ে ৮৫ হাজার ৬৭১ জন বেশি ছাত্রী পাসের সাফল্য দেখিয়েছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৬০জন।
এ বছর মোট কেন্দ্র সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৭৬০টি এবং মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৯০টি।
গত বছরের তুলনায় মোট প্রতিষ্ঠান ৮৮টি বাড়লেও কেন্দ্র কমেছে ৪০টি। এছাড়া শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ১৩৯টি এবং শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৯৩টি। গত বছরের চেয়ে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বেড়েছে।
অন্যদিকে, ৮টি বিদেশ কেন্দ্রে মোট ২৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ।