করোনার গণটিকাদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পিছিয়ে রয়েছে। সার্কভুক্ত সাতটি (মালদ্বীপ বাদে) দেশের হিসাবে, টিকাদান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পেছনের রয়েছে শুধু আফগানিস্তান। বাংলাদেশ যেমন জনসংখ্যার বিপরীতে দুই ডোজ টিকা
করোনাভাইরাস সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ) দেশে আরও ২১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৩৬৯
জাপান থেকে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৭ লাখ ৮১ হাজার টিকা দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে টিকা বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক তৌহিদ-উল
লকডাউন যেন মৃত্যু ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজধানীর কাঁটাবনের পশুপাখির জন্য। দোকান বন্ধ থাকায় আলো, বাতাস আর খাবারের অভাবে এরই মধ্যে মারা গেছে প্রায় ৫শ’ পশুপাখি। খাঁচাবন্দী এসব প্রাণীর মৃত্যুর জন্য
ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই তৈরি পোশাকসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা রোববার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যদিও চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে শ্রমিকরা দূর দূরান্ত থেকে কীভাবে কর্মস্থলে ফিরবেন তার
কঠোর বিধিনিষেধ বা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না- তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, আগামী ৩ বা ৪ আগস্ট এ
করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে শিল্পকারখানা খুলে দেয়ার খবরে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের ফেরিতে যাত্রী ও ব্যক্তিগত গাড়ি পারাপারের হিড়িক পড়েছে। এসব যাত্রীদের অধিকাংশই পোশাক কারখানার শ্রমিক। শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল
দেশে করোনাভাইরাসের পাশাপাশি বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে আরও ১৭০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার (৩০ জুলাই) সারাদেশের পরিস্থিতি
করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে দেয়া কঠোর লকডাউন ঈদুল আজহার জন্য শিথিল করা হয়েছিল। বিধি-নিষেধ শিথিলের ভেতর মাত্র আটদিন গণপরিবহন চালু ছিল। তবুও এবারের ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে। দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৪০ সড়ক
ছুটির দিনেও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ঢাদসিক) ডেঙ্গু বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে। এছাড়াও ডেঙ্গু মশার প্রজননস্থল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে মাইকিং করা হয়েছে এবং মসজিদে-মসজিদে ইমামগণ জনসচেতনতা সৃষ্টি ও